mission71

আর্জেন্টিনায় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির হার খুব বেশি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাই বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে আগামী ৩ মাস খাদ্যপণ্যের দাম ১ পয়সাও বাড়বে না।

দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দ্রব্যমূল্য ভয়াবহ হারে বেড়েছে। প্রতি বছর অধিকাংশ খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ে শতকরা প্রায় ৫০ ভাগ। এর প্রভাবে মুদ্রাস্ফীতিও বাড়ছে হু হু করে। আগামী মাসে আর্জেন্টিনায় নির্বাচন। তার আগে তাই দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে মরিয়া মধ্য-বামপন্থী সরকার।

তবে শুধু নির্বাচন পর্যন্ত নয়, নির্বাচনের পরও একটা সময় পর্যন্ত যাতে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম না বাড়ে, সেই ব্যবস্থা করতে পণ্য বিক্রেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে দেশটির সরকার।
তারপর এক বিবৃতিতে দেশটির অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব রবার্তো ফেলেত্তি জানান, বৈঠক ফলপ্রসূ। আগামী ৯০ দিন আর্জেন্টিনার কোনো জায়গায় ১,২৪৭টি খাদ্য এবং অন্য কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম ১ পয়সাও বাড়ানো হবে না বলে কথা দিয়েছেন খুচরা বিক্রেতারা।

বেকারত্ব, খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা এবং সম্পদের অভাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। গত ১৬ সেপ্টেম্বর আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেসে দেশটির সাবেক ফার্স্ট লেডি ইভা পেরনের একটি প্রতিকৃতির কাছে এই বিক্ষোভ হয়। ছবি- রয়টার্স

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতনের শতকরা ৯ ভাগ খাদ্যদ্রব্যের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছিল সরকার। কিন্তু ক্রমশ দাম বাড়তে থাকায় খাদ্যপণ্য অনেকের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে, এ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে রবার্তো ফেলেত্তি বিবৃতিতে আরও লিখেছেন, ‘জনগণের ক্রয়ক্ষমতার ওপর আর যাতে চাপ না পড়ে, সেকারণে (দ্রব্যমূলের) বলটার গড়ানো এবার আমাদের থামাতে হবে।’

সূত্র : ডয়চে ভেলে, রয়টার্স