mission71

করোনার কারণে স্থগিত হওয়া প্রথম ধাপের ১৬১টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হচ্ছে আজ। প্রার্থীরা রাত ১২টা পর্যন্ত প্রচারণা চলাতে পারবেন। এছাড়াও দেশের ৯টি পৌরসভা এবং স্থানীয় সরকার পরিষদের কয়েকটি উপনির্বাচনের প্রচার-প্রচারণাও শেষ হচ্ছে এই সময়ে।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে এসব নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট নেওয়া হবে। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতোমধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

ইসি জানিয়েছে, নির্বাচনী এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ইতোমধ্যেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠে নেমেছেন। ২০ সেপ্টেম্বর দেশের ৬টি জেলার ২৩টি উপজেলার ১৬১ ইউপিতে ভোটগ্রহণ হবে। নির্বাচনী এলাকায় কোনও সাধারণ ছুটি থাকছে না। তবে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ সাধারণ ছুটির আওতায় থাকবেন। এছাড়া ভোট দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে ছুটি নিতে পারবেন সাধারণ নাগরিকরা।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইন অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ শুরুর ৩২ ঘণ্টা পূর্বে প্রচার বন্ধ করতে হয়। সে হিসেবে ১৯ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত ১২টায় প্রচার কাজ বন্ধ করতে হবে। এ সময়ের পর প্রার্থী বা সমর্থকদের কেউ কোনও ধরনের প্রচারণা চালাতে পারবেন না।

ওইদিন ভোট হবে খুলনা বিভাগের ৩টি জেলার ১৬টি উপজেলার ১২২টি ইউপির ভোট। সব ভোটের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মাননীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। আগামীকাল প্রতিটি কেন্দ্রে নির্বাচনী সামগ্রী পৌঁছে যাবে।

এদিকে শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা হতে ২১ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় মোটর সাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এছাড়া ভোটের আগের দিন ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা হতে ভোটের দিন ২০ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় ট্রাক ও পিক আপ, লঞ্চ, স্পিডবোট এবং ইঞ্জিন চালিত নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া জরুরি সেবাসহ অন্যান্য পরিবহন চলাচল করতে পারবে।

প্রথমধাপে দেশের ১৯টি জেলার ৬৪টি উপজেলার ৩৭১টি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তফসিল ঘোষণা করেছিল। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১১ এপ্রিল এসব নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তবে করোনা সংক্রমণের কারণে ওই নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরে গত ২১ জুন স্থগিত ইউপির মধ্যে ২০৪টির ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর হবে ১৬১টি ইউপির।