mission71

মিশন একাত্তর

শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদকে ১০০ ল্যাপটপ দিচ্ছে সাইফ পাওয়ারটেক ।মঙ্গলবার সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ আয়োজিত বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বই বিতরণ অনুষ্ঠানে জুম এ্যাপের মাধ্যমে অংশ নিয়ে এই ঘোষণা দেন সংগঠনটির উপদেষ্টা ও সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিন।

বিদেশে অবস্থানরত সাইফ পাওয়ারটেকের এমডি তরফদার রহুল আমিন জুম এ্যাপে যুক্ত হয়ে বলেন, সংগঠনের কর্মকর্তাদের ব্যবহারের জন্য আগামী ১৮ অক্টোবর শহীদ শেখ রাসেলের ৫৭তম জন্মদিন থেকে এসব ল্যাপটপ হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বলে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে এই প্রতিশ্রুতির কথা জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ সময় তিনি বলেন, সময়ের কষ্টিপাথরে পরীক্ষিত এক দূরদর্শী ও মানবিক নেতৃত্বের নাম শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের এগিয়ে চলার পথ অব্যাহত রাখতে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের সকল সদস্যরা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণের অগ্রযাত্রায় সম্পৃক্ত থাকবে। বঙ্গবন্ধু পরিবার মেধা, সাহস ও সততার প্রতিক, সরকার প্রধান হয়েও অতিসাধারণ জীবন যাপন তাঁকে করে তুলেছে অসাধারণ একজন মানুষ। সন্তানদের গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসাতে দেননি জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকার প্রধানের সন্তান বলে কোনো প্রশ্রয় পাননি, সৃষ্টি করেনি হাওয়া ভবন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মাহমুদুস সামাদ চৌধুরী এমপি, সদস্য সচিব কে এম শহিদুল্লাহ, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

করোনাকালীন সময়ে ৩৫৭ জন কোচ ও ১৮২০ জন ফুটবলারকে আর্থিক সহযোগিতা করেছেন তরফদার মোঃ রুহুল আমিন । রাজমিস্ত্রির কাজ করা নারায়ণগঞ্জের আরিফ হাওলাদার ,ফরিদপুরের ফরিদপুরের ঝাড়ুদার রিপন কুমার দাস এবং খুলনার ইজিবাইক চালক মো. হাসান আল মামুনে এই তিনজনের দুর্দশার কথা মিডিয়ায় প্রকাশিত হলে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ও বাংলাদেশ ফুটবল ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, এবং বন্দরের শীর্ষ টার্মিনাল অপারেটর সাইফ পাওয়ারটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিন। ১৯ জুলাই অন্য পেশায় যোগ দেয়া তিন অসহায় ফুটবলারকে নিজ কার্যালয়ে ডেকে ৫০ হাজার টাকা তাদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন দেশের এই শীর্ষস্থানীয় ক্রীড়া সংগঠক ।

বৈশ্বিক মহামারী করোনার তান্ডবে সৃষ্ট সংকটকালে তরফদার মোঃ রুহুল আমিনকে দেশের মানুষ পেয়েছে সামনের সারির অন্যতম যোদ্ধা হিসেবে । করোনাভাইরাস মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দুই কোটি টাকা অনুদান , অসহায় মানুষদের জন্য খাদ্য সহায়তা , জাহাজের কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে থাকা লেসিং বিভাগের এবং ডেলিভারি বিভাগের দুই হাজার অস্থায়ী শ্রমিকদের ত্রাণসামগ্রী বিতরণ, দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের সিসিটি, এনসিটি টার্মিনালে কর্মরত শ্রমিকদের ত্রাণসামগ্রী বিতরণ , কর্মহীন হয়ে পড়া ২০০ ফুটবল কোচকে প্রায় ২৫ লাখ টাকার আর্থিক সহযোগিতা, দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরে মাস্ক, পিপিইসহ সুরক্ষা উপকরণ উপহার , পায়রা বন্দরে করোনা মোকাবেলার জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সরঞ্জাম প্রদান, কক্সবাজারে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের জন্য চিকিৎসা উপকরণ ও সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেলের কাছে স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা সরঞ্জামাদি হস্তান্তর, আমদানি-রফতানি কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে বন্দরে কর্মীদের আনা-নেওয়ার জন্য বাস, নাশতা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরণ- বিশেষ করে মাস্ক, গ্লাভস, হাত ধোয়ার ব্যবস্থা, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, জ্বর মেপে টার্মিনালে ঢোকানো, মেডিক্যাল টিমের উপস্থিতি ইত্যাদি নিশ্চিতকরণ, অসহায়, গরিব ও হতদরিদ্র পরিবারকে খাদ্য সহায়তা ,আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে তিনি চেষ্টা করে যাচ্ছেন প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও দুঃস্থ্য মানুষের জীবনের চাকা অবিরাম চলমান রাখতে, যা সত্যি খুবই প্রশংসনীয়।চলমান মহামারি করোনায় ইতোমধ্যেই সমাজের বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে তথা জনস্বার্থে তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলেছেন। জাতির এই দুঃসময়ে মানবতার দূত হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছেন বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব, বাংলাদেশ ফুটবল ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দেশের শীর্ষস্থানীয় ক্রীড়া সংগঠক,এবং বন্দরের শীর্ষ টার্মিনাল অপারেটর সাইফ পাওয়ারটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিন।

চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার ও সাধারণ পণ্য মিলিয়ে মোট ১০ কোটি ১৫ লাখ টন পণ্য ওঠানামা হয় গত বছরে। এর মধ্যে ১৩ শতাংশ পণ্য ওঠানামা করে থাকে সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড। চট্টগ্রাম বন্দরের একমাত্র টার্মিনাল অপারেটর প্রতিষ্ঠানটি বন্দরের নিউমুুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি), চিটাগাং কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি), পানগাঁও কনটেইনার টার্মিনাল, কমলাপুর ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো (আইসিডি) পরিচালনা করছে। ফলে সাধারণ এবং কনটেইনার পণ্য ওঠানামায় তার অভিজ্ঞতা সবচেয়ে বেশি।

সম্প্রতি সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তরফদার রুহুল আমিন বলেন, ২০০৬ সালের সঙ্গে ২০২০ সালের চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কাজের তুলনা করলে একেবারে শতভাগ অগ্রগতি হয়েছে। বন্দরের সবচেয়ে বড় অর্জন এখন শ্রম অসন্তোষ নেই; কথায় কথায় বন্দর অচল করার সুযোগ নেই। এখন নির্বিঘ্নে এবং নিরবচ্ছিন্ন কাজ করে বন্দরের উত্তরোত্তর অগ্রগতি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘প্রবৃদ্ধির সঙ্গে জেটির সংখ্যা না বাড়লেও আমরা আধুনিক যন্ত্রপাতি এবং দেশি-বিদেশি বন্দর পরিচালনায় অভিজ্ঞ এবং দক্ষ কর্মী দিয়ে পণ্য ওঠানামার প্রবৃদ্ধির চ্যালেঞ্জ সামাল দিচ্ছি, যা বিশ্বের অন্য যেকোনো উন্নত বন্দর পরিচালনাকারীদের কাছে এখনো মিরাকল!’