mission71

ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাকে সকাল থেকেই সরগরম হয়ে উঠে কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী পাইকারি দেশি মিষ্টি পানের হাট। প্রতিদিন অন্তত ৪০ লাখ টাকার পান বেচাকেনা হয় বলে জানান ব্যবসায়ীরা। পান কেনাবেচার বাজার কিশোরগঞ্জ শহরের পুরান থানা এলাকা।পাইকারি এ পানের বাজারে পাওয়া যায় লাল ডিঙ্গি, গয়াশোর, চাষিপানসহ নানা জাতের মিষ্টি সুস্বাদু পান।

সপ্তাহের বৃহস্পতি ও শনিবারে বসে হাট। বিভিন্ন এলাকার পাইকাররা পান কিনতে আসেন সকালে।

কিশোরগঞ্জ জেলা সদর ছাড়াও পাকুন্দিয়া, হোসেনপুর,করিমগঞ্জ ও কটিয়াদী উপজেলা থেকে এখানে পান নিয়ে আসেন চাষিরা। আর বাজারে পানের দাম চড়া থাকায় খুশি বিক্রেতারাও।

ব্যবসায়ীদের হিসেব মতে, ১২০টি পানে এক বিরা আর ২০ বিরায় হয় এক কুড়ি। ছোট আকারের প্রতি কুড়ি পান এক হাজার থেকে দেড় হাজার, মাঝারি দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার এবং বড় সাইজের পান বিক্রি হয়, সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হাজার টাকায়।

প্রায় ৫০ বছরের পুরনো বাজারে ভোর সাড়ে ৫টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চলে বেচাকেনা।

কৃষি বিভাগের হিসেবে, এবার জেলায় ১২০ হেক্টর জমিতে পান উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮৬২ মেট্রিক টন।