mission71

হেফাজতে ইসলামের সদ্য বিলুপ্ত কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে পৃথক তিন মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (০৪ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত শিকদার রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

এদিকে হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে তৃতীয় দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এদিন রিমান্ড মঞ্জুর ছাড়াও দুজনকেই ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশকে ঘিরে সহিংসতা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরকে ঘিরে সহিংসতার ঘটনায় পাঁচটি করে মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

গত ১৭ এপ্রিল বিকেল ৫টার দিকে জুনায়েদ আল হাবিবকে ভাটারা থানার বারিধারা মাদরাসা থেকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

এরপর গত ১৮ এপ্রিল মামুনুল হক ও জুনায়েদ আল হাবিবকে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত ২৬ এপ্রিল জুনায়েদ আল হাবিবকে দ্বিতীয় দফায় পল্টনের দুই মামলার একটিতে চারদিন, একটিতে তিনদিন এবং মতিঝিলের মামলায় তিনদিন করে মোট ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

এবার তৃতীয় দফায় আদালতে হাজির করে তিন মামলায় মোট ২৪ (১০+৭+৭) দিন করে রিমান্ড আবেদন করে গোয়েন্দা পুলিশ। আসামিপক্ষে সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেসবাহ রিমান্ড বাতিল পূর্বক জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক এক মামলায় দুদিন ও অপর দুই মামলায় একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশ জানায়, সম্প্রতি পল্টন থানায় নাশকতা মামলা এবং ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে নাশকতার মামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে জুনায়েদ হাবিবকে। সে কারণেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে হেফাজতে ইসলাম। এ নিয়ে ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকাসহ চট্টগ্রামের হাটহাজারী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজত বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। সরকারি বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা-ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।