মিশন একাত্তর

আবারও বিশ্বব্যাপী আসতে পারে লকডাউনের ঘোষণা ।কোনোভাবেই কমছে না বিশ্বব্যাপী করোনার তাণ্ডব। করোনায় লণ্ডভণ্ড হয়ে যাচ্ছে বিশ্বের ক্ষমতাসীন দেশগুলোও। করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও অর্থনীতিকে বাঁচায় রাখতে কিছু কিছু দেশে শিথিল করা হয়েছে লকডাউন। কিন্তু এতে যেন আরও মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস। তাই দ্বিতীয় দফা করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে বিশ্বের অনেক দেশে নতুন করে লকডাউনের ঘোষণা আসতে পারে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েড হত্যার প্রতিবাদে ইউরোপের বড় শহরগুলোতে বর্ণবাদ বিরোধী বিক্ষোভে লক্ষাধিক মানুষ যোগ দেওয়ায় করোনায় নতুন সংক্রমণের ঝুঁকিকে বাড়িয়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস ও অ্যারিজোনাসহ প্রায় ছয়টি রাজ্যের হাসপাতালগুলোর বিছানা করোনা রোগীদের দিয়ে পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে মার্কিন অর্থনীতি চালু করতে সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রস্তুতি চলছে। বৃহস্পতিবার আলবামা, ফ্লোরিডা, নর্থ ক্যারোলিনা, সাউথ ক্যারোলিনা, ওরিগন ও নেব্রাস্কাতে করোনায় রেকর্ড সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন।

শুক্রবার (১২ জুন) চীনের বেইজিংয়ে বৃহত্তর ছয়টি খাবারের মার্কেট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ভারতে লকডাউন তুলে দেয়ায় চলতি সপ্তাহে নতুন করে আক্রান্ত ও মৃত্যুর রেকর্ড তৈরি করছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ছয়টি অঙ্গরাজ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে আগের চেয়েও বেশি হারে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভুক্ত ২৭টি দেশকে স্কুল-কলেজ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুনরায় খোলার সঙ্গে নাগরিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালিয়ে যেতে আহ্বান জানিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বাস্থ্য কমিশনার স্টেলা খাইরিয়াকিডস বলেন, প্রয়োজন হলে আমাদের শিথিলতায় ফিরে যেতে প্রস্তুত থাকতে হবে। চীনের বেইজিংয়ে নতুন করে দুইজন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হওয়ার পরে কর্তৃপক্ষ হোলসেল খাবারের মার্কেট বন্ধ করে দিয়েছে। প্রায় ৭০ দিন পর ভারত চলতি সপ্তাহে অধিকাংশ গণপরিবহন ব্যবস্থা, অফিস ও শপিং মল খুলে দিয়েছে। তবে এর আগেই স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, এই মুহূর্তে সরকারের এ ধরনের পদক্ষেপ করোনার সংক্রমণকে আরও বাড়িয়ে দেবে। ইউরোপের অধিকাংশ দেশে করোনার নতুন সংক্রমণের হার কমে এসেছে।