mission71

অতীত নিয়েই চর্চা চলছে দুই দেশেই। বিশ্বকাপের মঞ্চে কখনও পাকিস্তানের কাছে হারেনি ভারত, সেই কারণে উল্লসিত দিল্লি, মুম্বাই, কলকাতার। করাচি, লাহোর, ইসলামাবাদের ছবিটা আবার উল্টো। বিশ্বকাপ এলেই কেন পাকিস্তান গুটিয়ে যায়? এই মঞ্চে কেন ভারতের বিরুদ্ধে সাফল্য পায় না দেশ? উত্তর খোঁজা চলছে।

আগের প্রজন্ম মাঠে নেমে কী করেছিল, তা নিয়ে মাথা ঘামাতে চাইছে না এই প্রজন্ম। বাবর আজমরা বরং চোখ রাখছেন সামনের দিকে। পাকিস্তানের ক্যাপ্টেন বাবর আজম নিজ দেশের সাংবাদিকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বলেই দিলেন, “বড় ইভেন্টে নামার আগে টিমের আত্মবিশ্বাসটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যে টিমে সেটা থাকে, বাকি কাজটাও করে ফেলা যায়। আমাদের এই পাকিস্তান টিমে সেটা আছে। আমরা টিম হিসেবেই তা তুলে ধরতে চাই। আর ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান কখনও বিশ্বকাপের ম্যাচ জেতেনি, এই তথ্য নিয়ে কিন্তু আমরা সত্যিই ভাবছি না। অতীতে যা হয়েছে, তা নিয়ে ভেবে কী করব। আমার নিজের টিমের উপর প্রত্যাশা আছে, ভরসা আছে। ওরা নিজেদের সেরাটাই দেবে।”

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই উল্টো দিকে ভারত বলে বাড়তি চাপ অনুভব করছেন না, তা নয়। আর সেই চাপ সামলানোর জন্যই মানসিক প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে দিয়েছেন বাবররা। পাকিস্তানি অধিনায়কের কথায়, “ভারতের বিরুদ্ধে যে ম্যাচ খেলা সব সময় চাপের। আর তাই আমাদের ফোকাসটা রাখতে হবে ক্রিকেটে। নিজেদের যতটা সম্ভব ঠান্ডা রাখতে হবে। ম্যাচ দিনে যে টিম ভালো খেলবে, তারা শেষ পর্যন্ত জিতবে। আর ম্যাচ নিয়ে পরিকল্পনার কথা যদি বলেন, তা হলে বলব, ক্রিকেটটা তো আর পাল্টে যাচ্ছে না। নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটাই যে কারণে খেলতে হবে। যেটা দরকার, সেটা হল, মাইন্ডসেটের পরিকল্পনা। এই রকম উত্তেজক ম্যাচের চাপ কী ভাবে সামলাতে হয়, তার পরিকল্পনা আমরা করছি।”
সদ্য আইপিএল খেলা ভারতীয় ক্রিকেটাররা যেমন সংযুক্ত আরব আমিরাতের পিচ হাতের তালুর মতো চেনেন, তেমনই পাকিস্তান টিমের ক্রিকেটাররাও। পিচ, পরিবেশ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকার কারণেই ভারত-পাকিস্তান টক্কর সমানে সমানে হবে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

এক পাকিস্তানি সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বাবর বলেছেন, “আমি আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই, মানে ৩-৪ বছর ধরে আমিরাতে খেলছি। পিচের চরিত্র খুব ভালো করে জানি। কীভাবে ব্যাট করতে হয় এখানে, সেটাও জানি। শুধু আমি নই, পুরো টিমেরই কন্ডিশন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা আছে। আর তাই একই কথা বলতে হবে, যে টিম ওই দিনটা নিজেদের সেরা ক্রিকেটটা খেলতে পারবে, তারাই জিতবে ম্যাচটা।”