mission71

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার কারখানাটি ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন। তিনি বলেছেন, ১৪টি মোবাইল কারখানা দেশের মোট চাহিদার ৬৫ শতাংশ বেশি পূরণ করছে।

বাংলাদেশে শাওমির তৈরি স্মার্টফোনগুলো দেশীয় বাজারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানি করা হবে বলে তিনি দৃঢ় আশা ব্যক্ত করেছেন।

মুস্তাফা জব্বার আরও বলেছেন, সরকার গৃহীত বিনিয়োগ-বান্ধব পরিবেশের পাশাপাশি আমাদের মেধাবী তরুণরাও বিশ্বের সেরা ব্র্যান্ডের মোবাইল উৎপাদন কারখানা স্থাপনের জন্য বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করেছে।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, স্মার্টফোন জায়ান্ট শাওমির সঙ্গে অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের তরুণদের জন্য আরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

 

ডিজিটাল বাংলাদেশ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে শাওমির প্রথম ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট স্থাপনে অংশীদার হতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমরা বিশ্বাস করি যে এই অংশীদারিত্ব দেশের তরুণদের জন্য আরও সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং একটি বিশ্বমানের ইলেকট্রনিক্স উত্পাদন ইকোসিস্টেম প্রতিষ্ঠা করবে বলে মন্তব্য করেন সালমান এফ রহমান।

তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বাংলাদেশে শাওমির উৎপাদন কারখানা স্থাপনের জন্য প্রশংসা করেছেন।

তিনি বলেছেন, এটি একটি দুর্দান্ত উদ্যোগ। আমি বিশ্বাস করি যে এখন থেকে দেশের মানুষ প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে শাওমির সর্বশেষ পণ্য উপভোগ করতে পারবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর জিয়াউদ্দিন আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, এখন থেকে দ্বিতীয় নম্বরে থাকা গ্লোবাল স্মার্টফোন দেশে তৈরি হবে।

২০১৮ সালে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করা শাওমি তিন বছরের মধ্যেই এখানে কারখানা স্থাপন করেছে।