‘করোনাভাইরাস পরিবেশের জন্য আশীর্বাদ’।প্রতিদিন বাড়ছে পৃথীবীর ভূ-পৃষ্ঠের তাপমাত্রা। এতে জলবায়ুর বিরাট পরিবর্তন ঘটছে। এ পরিবর্তন মানবজাতির জন্য একটি বিপদজনক ঘটনা। জলবায়ুর পরিবর্তনে জীববৈচিত্র্য এবং পরিবেশ দিন দিন বিরাট হুমকির মুখে পড়ছে। জলবায়ুর পরিবর্তনে বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটছে। ফলে কৃষি উৎপাদনে প্রভাব পড়ছে। পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে বরফ গলে সমুদ্রের পানি বাড়ছে। এতে ঘূণিঝড়সহ নতুন নতুন প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগমন ঘটছে। এ ছাড়া তাপমাত্রা বৃদ্ধিজনিত কারণে মানুষের নিত্য-নতুন রোগে মত্যুর সংখ্যা দিন দিন ভারি হচ্ছ। এ ছাড়া পলিথিন পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তারপরও থেমে নেই পলিথিনের উৎপাদন ও ব্যবহার। একটি পলিথিন শত শত বছরেও নষ্ট হয় না। মাটিতে থেকে যায়। ফলে মাটির ভেতরের অনুজীবগুলো বৃদ্ধি পেতে বাঁধাগ্রস্থ হয়। এতে মাটির উর্বরতা ধ্বংস হয়।

যেখানে পুরো বিশ্ব ব্যস্ত করোনায় আক্রান্ত ও মারা যাওয়া মানুষের হিসাব নিয়ে প্রকৃতি যেন বিন্দুমাত্র উদ্বিগ্ন নয়। নীরব, নির্জন, কোলাহলমুক্ত পরিবেশে মায়াময় প্রকৃতি নিজের সুষমা, সৌন্দর্যরাশি যেন একের পর এক তুলে ধরছে। শুক্রবার ছিল বিশ্ব পরিবেশ দিবস। সারাবিশ্বে একযোগে পালিত হয় দিবসটি।

ইরফান মাহমুদ রানা লোকপ্রশাসন বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

প্রতিদিন বাড়ছে পৃথীবীর ভূ-পৃষ্ঠের তাপমাত্রা। এতে জলবায়ুর বিরাট পরিবর্তন ঘটছে। এ পরিবর্তন মানবজাতির জন্য একটি বিপদজনক ঘটনা। জলবায়ুর পরিবর্তনে জীববৈচিত্র্য এবং পরিবেশ দিন দিন বিরাট হুমকির মুখে পড়ছে। জলবায়ুর পরিবর্তনে বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটছে। ফলে কৃষি উৎপাদনে প্রভাব পড়ছে। পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে বরফ গলে সমুদ্রের পানি বাড়ছে। এতে ঘূণিঝড়সহ নতুন নতুন প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগমন ঘটছে। এ ছাড়া তাপমাত্রা বৃদ্ধিজনিত কারণে মানুষের নিত্য-নতুন রোগে মত্যুর সংখ্যা দিন দিন ভারি হচ্ছ। এ ছাড়া পলিথিন পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তারপরও থেমে নেই পলিথিনের উৎপাদন ও ব্যবহার। একটি পলিথিন শত শত বছরেও নষ্ট হয় না। মাটিতে থেকে যায়। ফলে মাটির ভেতরের অনুজীবগুলো বৃদ্ধি পেতে বাঁধাগ্রস্থ হয়। এতে মাটির উর্বরতা ধ্বংস হয়।

শাফিউল কায়েস তৃতীয় বর্ষ, পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ, বশেমুরবিপ্রবি

প্রত্যেকটি দিবস পালনের একটি তাৎপর্য রয়েছে। নির্দিষ্ট বিষয়বস্তুুর সমস্যা-সম্ভাবনা নিয়ে সর্তকতা ও করণীয় জানতে বা জানাতে দিবসের স্বীকৃতি দেওয়া ও পালন করা হয়। পরিবেশের প্রতি মানুষের সচেতনতা বাড়াতে, পরিবেশকে বাঁচিয়ে রাখতে পরিবেশ দিবস পালিত হয়। দিন দিন মানুষের কারণে পরিবেশ হুমকির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মাটি, বায়ু এবং পানির গুণগত মান ভালো থাকলে পরিবেশ আমাদের জন্য আশীর্বাদ। অন্যথায় পরিবেশ আমাদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে আমাদের সাথে লড়াই করবে। ফলে মানুষের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। খুশির সংবাদ হচ্ছে- লকডাউনের কারণে কমেছে পানি, বায়ু এবং মাটি দূষণ। করোনাভাইরাস মানুষের জন্য অভিশাপ হলেও পরিবেশের জন্য আকাশচুম্বী আশীর্বাদ। আসুন আমরা অযথা পরিবেশ দূষিত না করি, নিজেদের সুস্থ রাখি।

সোয়াদুজ্জামান সোয়াদ এগ্রিকালচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, হাজী মোহাম্মাদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

পৃথিবীজুড়ে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর গ্যাস নির্গমন আর প্রচুর পরিমানে ক্ষতিকর রাসায়নিক বর্জ্য নিষ্কাশনের ফলে প্রকৃতি ও পরিবেশ দূষণের সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে পৃথিবীর তাপমাত্রা। সেই সাথে পরিবর্তন ঘটছে পৃথিবীর আবহাওয়া ও জলবায়ুর। ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে পানিতে রূপান্তরিত হয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা। যা বর্তমান সময়ের সবথেকে উদ্বেগের বিষয়। সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে পৃথিবীর নিন্মভূমির দেশগুলো তলিয়ে যাওয়ার আগেই বিশ্ববাসীর মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা দরকার। পাহাড়কাটা বন্ধ, বৃক্ষনিধন না করা, গাড়ির কালো ধোঁয়া বন্ধ রাখার চেষ্টাসহ অন্যান্য সচেতনতামূলক কাজ নিজে করার পাশাপাশি অন্যকে সচেতন এবং আগ্রহী করে তুলতে হবে। কারণ আমাদের চারপাশের পরিবেশটা আমাদের, এটা দূষণমুক্ত রাখার দায়িত্বটাও আমাদের। আমরা নিজেরা যদি একটুখানি সচেতন হয়ে নিজেদের চারপাশের পরিবেশটা দূষনমুক্ত রাখি তাহলে আমাদের গোটা পৃথিবী দুষন মুক্ত হবে।