mission71

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা ও সেবা বিভাগের সচিব মো. মোকাব্বির হোসেন এবং নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা।

ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সচিব মোকাব্বির হোসেন আগের প্রচলিত হাতে লেখা এবং মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের কিছু সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নতুন প্রচলিত ই-পাসপোর্ট বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির হওয়ায় জালিয়াতির কোনো সুযোগ নেই। ফলে বহির্বিশ্বে এ পাসপোর্টধারীদের মর্যাদা বাড়বে। বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ এখনও ই-পাসপোর্টের প্রচলন করতে পারেনি এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম ই-পাসপোর্ট সেবা চালু করেছে।

এ সময় সচিব মোকাব্বির হোসেন জানান, সরকার ইতোমধ্যেই ঢাকা, সিলেট এবং চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ই-গেট স্থাপন করেছে, যা যাত্রীদের ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করবে।

কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা দিনটিকে কনস্যুলেটের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর এ ঐতিহাসিক ও আনন্দঘন মুহূর্তে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ই-পাসপোর্ট সেবার শুভ সূচনা করল। ই-পাসপোর্টের প্রচলন উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।

কনসাল জেনারেল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী রাজনৈতিক নেতৃত্বের ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের অন্যতম দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির একটি। তথ্যপ্রযুক্তিসহ আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব অগ্রগতি লাভ করেছে এবং জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অদম্য গতিতে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান খান। তিনি বলেন, এ পাসপোর্টটি বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রযুক্তিনির্ভর একটি পাসপোর্ট। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা বিলম্বিত হয়েছে। তবে অচিরেই পাসপোর্ট সংক্রান্ত সবধরনের সেবা নাগরিকদের দেওয়ার ব্যাপারে সরকার বদ্ধপরিকর।