দশ কেজি ওজন কমাতে মানতে হবে ১০ নিয়ম

দশ কেজি ওজন কমাতে মানতে হবে ১০ নিয়ম

ওজন নিয়ন্ত্রণে আমাদের চিন্তার শেষ নেই। এ ছাড়া ফিট থাকতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইচ্ছেমতো কসরত করেন অনেকে। আবার অনেকে ওজন কমাতে চাইছেন তারা মনে করেন না খেয়ে থাকলেই এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তবে মোটেও সঠিক ধারণা নয়। ওজন কমাতে হলে অবশ্যই আপনাকে একটি সঠিক ডায়েটলিস্ট মেনে চলতে হবে। করতে হবে সঠিক যোগব্যায়াম।

ওজন কমানোর সময়ে প্রথম কয়েক কেজি তাড়াতাড়ি ঝরে যায়। কিন্তু তারপরই হয় মুশকিল। কিছুতেই ওজন কমতে চায় না আর। হাজার ডায়েট করে, শরীরচর্চা করেও কোনো লাভ হয় না। ওজন কমছে না দেখে অনেকে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন। আবার কেউ কেউ ভেঙেও পড়েন মানসিকভাবে। সেই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগেই জেনে নিন এমন ১০ নিয়ম যা মানলে ১০ কেজি ওজন কমবে তরতরিয়ে।

 

১. অনেকে নারকেল তেল বা ঘি দেওয়া কফি দিয়ে দিন শুরু করেন। কিন্তু যাদের ওজন কমছে না তারা এই ধরনের বাড়তি ফ্যাট খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

২. বাচ্চাদের অনেক মুখরোচক টুকিটাকি খাবার বাজারে পাওয়া যায়। আমরা ভাবি, বাচ্চাদের জন্য তৈরি বলে বোধহয় খুব স্বাস্থ্যকর। আদতে এগুলো চিনিতে ভর্তি।

৩. সকালের প্রাতরাশে দুধ-কলা-চিড়ে খাচ্ছেন? গরমের জন্য দারুণ খাবার। কিন্তু এতে প্রোটিন কই? ওজন কমাতে গেলে প্রত্যেক খাবারের সঙ্গে প্রোটিন রাখতেই হবে।

৪. দুশ্চিন্তায় ঘুমাচ্ছেন না ঠিক করে? না ঘুমালেই মুশকিল। ভুঁড়ি কমবে না কিছুতেই। বেশি রাত পর্যন্ত জেগে থাকলে খিদেও বেশি পাবে। বেশি খেয়ে ফেললেই যাবতীয় পরিশ্রম বিফলে!

৫. টুকিটাকি খাওয়ার প্রবণতা কমান। প্রাতরাশ, দুপুরের খাবার আর রাতের খাবারে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন থাকে, তা হলে খুব বেশি খিদে পাওয়ার কথা নয়।

৬. ফলের রস খাবেন না। আস্ত ফলের গুণ অনেক বেশি। ফল রস করলেই তাতে শুধু ফ্রুকটোজ থাকবে। আর তাতেই ওজন বাড়বে সহজেই।

৭. এনার্জি ড্রিঙ্ক বা প্রোটিন ড্রিঙ্ক খাবেন না। এতে প্রচুর চিনি দেওয়া থাকে, যা অজান্তেই শরীরে জমা হয়।

 

৮. পাস্তা বা পিৎজার লোভ সামলাতে হবে। এতে ময়দা, চিনি, নুন সবই বেশি।

৯. পানি না খেলে শরীরের হজমক্ষমতা ঠিকমতো কাজ করবে না। আর খাবার হজম না হলে হাজার শরীরচর্চা করেও ক্যালোরি ঝরবে না।

১০. আপনার শরীরে কোন খাবার সহ্য হয়, কোনটা হয় না সেটা আপনাকেই বুঝতে হবে। ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকোলি খুব উপকারী সবজি। কিন্তু আপনার যদি তাতে গ্যাস হয়, তা হলে না খাওয়াই ভালো। তেমনই বেশি পেঁপে খেলে যদি আপনার পেটের গোলমাল হয়, তা হলে বাকিরা যতই খাক, আপনাকে এড়িয়ে চলতে হবে।

সূত্র: আনন্দবাজার

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest Articles