জি আই (GI) পণ্য

জি আই (GI) পণ্য

জি আই ( G.I) হলো জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেশন Geographical indication বা ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য।
👉জি আই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান হলো-
WIPO( world intellectual property organisation)
★বর্তমানে বাংলাদেশের জিআই পণ্য ৯ টি:
১. বাংলাদেশের প্রথম স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জিআই বা ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হলো জামদানি ।
নিবন্ধিত হয় : ১ সেপ্টেম্বর ২০১৫
সনদ প্রদান : ১৭ নভেম্বর ২০১৬
আবেদনকারী ও সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান : বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (BSCIC)।
২. দ্বিতীয় ভৌগলিক নিদের্শক (জিআই) পণ্য হলো: ইলিশ
নিবন্ধিত হয় : ১৩ নভেম্বর ২০১৬
সনদ প্রদান : ১৭ আগষ্ট ২০১৭
আবেদনকারী ও সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান : মৎস্য অধিদপ্তর
৩. তৃতীয় ভৌগলিক নিদের্শক (জিআই) পণ্য : চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম
নিবন্ধিত হয় : ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ সালে
সনদ পায় : ২৭ জানুয়ারি ২০১৯ সালে
আবেদনকারী ও সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান : বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI)।
৪. চতুর্থ ভৌগলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য:
বিজয়পুরের সাদা মাটি
নিবন্ধিত হয় : ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
সনদ প্রাপ্তি : ১৭ জুন ২০২১
আবেদনকারী ও সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান : জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নেত্রকোনা।
৫. পঞ্চম ভৌগলিক নিদের্শক (জিআই) পণ্য :
দিনাজপুর কাটারীভোগ
নিবন্ধিত হয় : ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
সনদ প্রাপ্তি : ১৭ জুন ২০২১
আবেদনকারী ও সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান :বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)
৬. ষষ্ঠ ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য: কালিজিরা
নিবন্ধিত হয়: ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
সনদ প্রাপ্তি : ১৭ জুন ২০২১
আবেদনকারী ও সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান :বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)
৭. সপ্তম ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য:
রংপুরের শতরঞ্জি
নিবন্ধিত হয়: ১১ জুলাই ২০১৯
সনদ প্রাপ্তি : ১৭ জুন ২০২১
আবেদনকারী ও সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান : বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প।
৮. অষ্টম ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য:
রাজশাহী সিল্ক
নিবন্ধিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
সনদ প্রাপ্তি : ১৭ জুন ২০২১
আবেদনকারী ও সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান : বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ( BSDB)
৯. নবম ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য :
ঢাকাই মসলিন
নিবন্ধিত হয় : ২ জানুয়ারি ২০১৮
সনদ প্রাপ্তি : ১৭ জুন ২০২১
আবেদনকারী ও সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান : বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড (BHB)
উল্লেখ্য, বাগদা চিংড়ি ও ফজলি আম প্রক্রিয়াধীন আছে….

ইতিহাস ও ঐতিহ্যের দিক থেকে বাংলাদেশ সমৃদ্ধিশালী হলেও দীর্ঘ সময় ধরে জিআই আইন না থাকায় এ দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের মালিকানা সুরক্ষার সুযোগ ছিল না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন, ২০১৩ এবং ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) বিধিমালা, ২০১৫ প্রণয়ন করা হয়। এর পরই দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য নিবন্ধনের পথ সুগম হয়। শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) দেশের প্রথম ঐতিহ্যবাহী পণ্য হিসেবে ২০১৬ সালে জামদানিকে জিআই নিবন্ধন দিয়েছে। এরপর ২০১৭ সালে ইলিশ ও ২০১৯ সালে ক্ষীরশাপাতি আম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এবার পেল আরো ছয় পণ্য।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest Articles