mission71

দেশের বাজারে চাল সরবরাহ স্বাভাবিক ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারত থেকে চাল আমদানির জন্য ৫৭ ব্যক্তি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সরকারি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে হিলি স্থলবন্দরের ১০ আমদানিকারক চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। তারা এরই মধ্যে চাল আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি ও চাল আমদানিকারক হারুন উর রশীদ বলেন, আমদানিকারকদের চাল আমদানিতে নিরুৎসাহিত ও কৃষকের উৎপাদিত ধান-চালের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে চালের আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ করে দেয়া হয়। এতে ২০১৯ সালের ৩০ মে থেকে বন্দর দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ ছিল। বর্তমানে চালের আমদানি শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে সরকার। ফলে গত ৯ জানুয়ারি থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারো ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়েছে। আমদানি বাড়ায় চালের বাজার দর স্থিতিশীল রয়েছে।

তিনি বলেন, সম্প্রতি সরকার ১ লাখ ৮০ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। হিলি স্থলবন্দরের ১০ আমদানিকারক চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। অনুমোদন পাওয়ার পর পরই এলসি খোলা থেকে শুরু করে চাল আমদানির সব ধরনের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন আমদানিকারকরা। কিছুদিনের মধ্যেই দেশের বাজারে আমদানীকৃত এসব চাল দেশে প্রবেশ করতে শুরু করবে। এতে চালের বাজার কমবে।