জাতীয় বাজেটের নূন্যতম ১৫ শতাংশ কৃষিখাতে বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কৃষক সমিতি। আজ বৃহস্পতিবার দূরবন্ধন কর্মসূচি থেকে নূন্যতম ২০ শতাংশ ধান খোদ কৃষকের কাছ থেকে ক্রয়ের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত ওই কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হোসেন খান, সহ সাধারণ সম্পাদক সুকান্ত চৌধুরী কমল, আবিদ হাসান প্রমুখ।

এ সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশ এক মহাক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। সারা বিশ্ব করোনা মহামারির প্রকোপে প্রকম্পিত, বাংলাদেশও তার বাইরে নেই। প্রতিদিন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। প্রতিদিন আক্রান্ত হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। সরকারের উন্নয়নের ফাঁকা আওয়াজ ভেঙে পড়েছে বালির বাঁধের মতো। এই মহাদুর্যোগে বাংলাদেশের অন্যতম ভরসার জায়গা, এদেশের কৃষক। যখন বাংলাদেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি মুখথুবড়ে পড়ার উপক্রম, তখন এই কৃষক তার শ্রম ও ফসলে টিকিয়ে রেখেছে দেশের অস্তিত্বকে। কিন্তু দেশের সরকার মুখে কৃষকের কথা বললেও এই কৃষককে রক্ষার কোনো লক্ষণ সরকারি নীতিতে নেই।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারের অনুসৃত লুটেরা ধনী তোষণ নীতি আজ অকার্যকর অসার প্রমাণিত হলেও সরকার তার নীতি পরিবর্তন করেনি। তার প্রমাণ ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের বাজেট। মোট ৫ লক্ষ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার কিন্তু কৃষি খাতে মাত্র ২৯ হাজার কোটি টাকা। যারা দেশকে বেকায়দায় ফেলতে চায়, দেশের মানুষের সাথে বেঈমানি করে দেশকে নিঃস্ব করার নূন্যতম সুযোগটিকে হাতছাড়া করে না, তাদের বরাদ্দ ঠিক থাকলেও। বাংলাদেশের কৃষক ও কৃষি খাত বরাবরের মত বঞ্চনা ও প্রতারণার শিকার। বাজেটে কৃষক ও কৃষির যোগ্য হিস্যা দাবি করেন নেতৃবৃন্দ।