mission71

বিবাহবিচ্ছেদের পর দক্ষিণ ভারতের অভিনয়শিল্পী সামান্থা রুথ প্রভু ও নাগা চৈতন্যের ব্যক্তিজীবন নিয়ে শুরু হয় নানা জল্পনা–কল্পনা। অনেক ইউটিউব চ্যানেল তাঁদের বিচ্ছেদের পেছনের কারণ খুঁজতে শুরু করে। কয়েকটি চ্যানেলের বিষয়বস্তু তো রীতিমতো সভ্যতার সীমা অতিক্রম করে ফেলেছিল। ত্যক্তবিরক্ত হয়ে কয়েকটি চ্যানেলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন সামান্থা।

 

ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সুমন টিভি, তেলেগু পপুলার টিভিসহ আরও বেশ কয়েকটি ইউটিউব চ্যানেলের নামে আইনি নোটিশ পাঠানো হবে। কেবল চ্যানেল নয়, ভেংকট রাও নামের একজন আইনজীবীর বিরুদ্ধেও একটি নোটিশ পাঠানো হবে। এই আইনজীবী সামান্থার দাম্পত্য জীবন এবং সামান্থার প্রেম নিয়ে গুজবের বিষয়ে মন্তব্য করেছিলেন।

 

এ পর্যন্ত যত গুজব রটেছে, সব উড়িয়ে দিয়েছেন সামান্থা। এক টুইটে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত সংকট নিয়ে আপনাদের আগ্রহ আমাকে অভিভূত করেছে। আমার ব্যাপারে সহানুভূতি ও উদ্বেগ দেখানোর জন্য, গুজব এবং মিথ্যা গল্পগুলো থেকে আমাকে রক্ষা করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

তারা বলছে, আমার নাকি আরেকটা সম্পর্ক ছিল, আমি নাকি কখনই সন্তান নিতে চাইনি, আমি একজন সুবিধাবাদী এবং আমার নাকি বাচ্চা নষ্ট হয়েছে! তালাক একটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক প্রক্রিয়া। আমাকে সেই বেদনা থেকে বেরিয়ে আসার সময় দিন। আমার ওপর আক্রমণ অনেক হয়েছে। প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আমাকে নিয়ে যা খুশি বলেন, কিন্তু আমাকে ভাঙতে পারবেন না।’

চলতি মাসের শুরুর দিকে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন সামান্থা ও নাগা চৈতন্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা এক নোটে সামান্থা বলেছিলেন, ‘আমাদের সব শুভাকাঙ্ক্ষীর উদ্দেশে বলছি, অনেক আলোচনা ও চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত নিয়ে আমরা স্বামী-স্ত্রী দুজন দুজনের পথ খুঁজে নিয়েছি। আমরা ভাগ্যবান যে এক দশকের বেশি সময় ধরে আমাদের মধ্যে যে বন্ধুত্ব ছিল, যা আমাদের সম্পর্কের মূল ভিত্তি, আমরা বিশ্বাস করি, সব সময় আমাদের মধ্যে সেই বন্ধন থাকবে। আমাদের ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গণমাধ্যমের বন্ধুদের অনুরোধ, এ রকম একটা কঠিন সময়ে আমাদের পাশে থাকুন এবং আমাদের নিজের মতো থাকার সুযোগ দিন। সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ।’